
সরকারি চাকরিজীবীদের পে-স্কেল নিয়ে বিভাগীয় সমাবেশ করছেন আন্দোলনকারীরা। তবে ঈদুল ফিতরের ছুটির কারণে বর্তমানে বন্ধ রয়েছে সমাবেশ। সব বিভাগের সমাবেশ শেষে ঈদুল ফিতরের ছুটির পর ঢাকায় কেন্দ্রীয় কর্মসূচি পালন করবেন তারা। তবে সেই কর্মসূচি প্রাথমিকভাবে এই সহনীয় পর্যায়ের হবে বলে ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
বৃহস্পতিবার সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক মো. মাহমুদুল হাসান এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ঈদের বন্ধ পুরোপুরি শেষ হওয়ার পর আমাদের ঘোষণা আসবে। কর্মসূচি দ্রুতই শুরু হবে ইনশাল্লাহ। চার বিভাগে এরইমধ্যে আমদের কর্মসূচি হয়েছে। বাকিগুলোও হবে। অনেকে বলেন কর্মবিরতি দিয়ে দেন। কিন্তু পর্যায়ক্রমে কর্মবিরতি হবে কিনা তা সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে। নতুনদের তো আমাদের অবস্থান আগে বোঝাতে হবে। তারপর অন্যকিছু।
এর আগে সংগঠনের মূখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী বলেছিলেন, রোজার মধ্যে সিলেটসহ অন্যান্য বিভাগে প্রতিনিধি সমাবেশ করা হয়েছে। বরিশাল ও খুলনার সামবেশ শেষে ঢাকায় সমাবেশ করা হবে। ঢাকায় বড় কর্মসূচি দিতে হলে আগে বিভাগীয় কর্মসূচি সফল করতে হয়। বিগত সরকার পে-স্কেলের জন্য যে টাকা রেখে গেছে তা অন্য খাতে খরচ করা হয়েছে। আমরা সরকারি চাকরিজীবীরা ১১ বছর পে-স্কেল পাইনা।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারি অর্থ প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন কর্মচারী নেতারা। সচিবালয়ে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপ সচিব মো. আব্দুল খালেক, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ বেশ কয়েকজন কর্মচারী নেতা উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে প্রতিমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানান কর্মচারী নেতারা। বিগত সময়ে পে-স্কেলের দাবিতে চলা বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে কর্মচারীদের পক্ষে যে আওয়াজ জোনায়েদ সাকি তুলেছিলেন তা স্মরণ করিয়ে দেন তারা। পরে পে-স্কেল নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনার কথা জানতে চান কর্মচারীরা। এ সময় প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, একটু সময় লাগবে, তবে আপনারা আস্তে ধীরে পে-স্কেল পাবেন।
সাক্ষাৎ শেষে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানকে বলেন, প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, পে স্কেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন আপনারা আস্তে ধীরে পাবেন। তবে একটু সময় লাগবে। ধৈর্য ধরেন, পাবেন। তবে কতদিন সময় লাগবে তা স্পষ্ট করেননি প্রতিমন্ত্রী।