1. monoarulhasanmanik@gmail.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা
  2. info@www.prathomikshikshabarta.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা :
রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
স্কুল, কলেজ-মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষাবৃত্তি হচ্ছে দ্বিগুণ, ব্যয় হবে ৩৬৮ কোটি টাকা/Scholarships in schools, colleges, madrasas and universities to be doubled, costing Tk 368 crore শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি নিয়ে যে বার্তা দিলেন ববি হাজ্জাজ/The message Bobby Hajjaj gave about student stipends প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ শিগগিরই/60,000 primary school teachers to be recruited soon যে ভিটামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘুম পায়/Vitamin deficiency causes excessive sleepiness ব্যাংকগুলোকে ছেঁড়া-ফাটা নোট গ্রহণে কঠোর নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের/Bangladesh Bank issues strict instructions to banks to accept torn notes স্কুলে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগের নির্দেশ/Instructions to hire retired teachers to increase teaching in schools শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা মাউশির/MUEB issues urgent instructions to educational institutions শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা মিলবে কখন, যা জানাল মাউশি/When will teachers get their Baisakhi allowance, says Maushi শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা সরকারি চাকরি: নতুন বেতনকাঠামো যাচাই-বাছাই হচ্ছে/Government jobs: New salary structure being scrutinized

সংক্ষিপ্ত বা কম নম্বরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার দাবি নাকচ শিক্ষামন্ত্রীর/Education Minister rejects demand for shortened or lower-scoring primary scholarship exams

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ১৮১ বার পড়া হয়েছে
প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা এপ্রিলে: শিক্ষামন্ত্রী/Primary scholarship exam to be held in April: Education Minister

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে কিন্ডারগার্টেন ও কয়েকটি সরকারি শিক্ষক সংগঠনের নেতারা যে যুক্তি দিয়েছিলেন তা নাকচ করে দিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, পুরো চারশ নম্বরেরই বৃত্তি পরীক্ষা হবে। কোনো সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বা কম নম্বরের পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ নেই।

বহু বছর ধরে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে একশ করে, বিজ্ঞানে ৫০ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় মিলে ৫০- মোট একশ, সর্বমোট ৪০০ নম্বরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা হয়ে আসছে।
বৃত্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণা দেওয়ার পরপরই মন্ত্রী সব ধরনের শিক্ষকদের মতামত নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে গত সপ্তাহে মত বিনিময় হয়। শিক্ষক সংগঠনের প্রতিনিধিদের বরাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা গত সোমবার শিক্ষামন্ত্রীকে জানান, যেহেতু পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ডিসেম্বরে ফাইনাল পরীক্ষা দেওয়ার পরে পুরনো বই ফেলে দিয়েছে, তাই শিক্ষকরা নতুন বই দাবি করেছেন। নতুবা ৪০০ নম্বরের বৃত্তি পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। বছরের তিন মাস পার হওয়ার পরে অর্থাৎ এপ্রিলে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পুরো নম্বর হলে সবাই পরীক্ষা দিতে পারবে না। এ বিষয়ে মন্ত্রীর সাফ জবাব কোনো অটোপাস বা সংক্ষিপ্ত করার সুযোগ নেই। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক নয়।

জানা গেছে, আইনি জটিলতায় ‘আটকে যাওয়া’ গত বছরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে। পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেনগুলোর শিক্ষার্থীরাও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ পাবেন এবং কিন্ডারগার্টেনসহ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা পাবেন ২০ শতাংশ।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে অর্থাৎ আগামী কোরবানির ঈদের আগেই আমরা প্রশ্নপত্র তৈরি করে এবং তাদের পড়ালেখার সুযোগ দিয়ে গত বছরের বৃত্তি পরীক্ষাটি আমরা এ বছরে নেব।

এক সময় প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার রেওয়াজ থাকলেও ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে তা বন্ধ করে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালু করা হয়। এ পাবলিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হতো।

তবে করোনাভাইরাস মহামারির জেরে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করা হয়। বন্ধ হয়ে যাওয়ার ১৩ বছর পর ২০২২ খিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে ফের ‘পরীক্ষামূলকভাবে’ প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়।

গণঅভ্যুত্থানের পর গত বছর থেকে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ফিরিয়ে আনার ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ওই বছরের শেষে এই পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল। এ অবস্থায় প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা কিন্ডারগার্টেনসহ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ওঠে।

শিক্ষামন্ত্রীর বলেন, গত বছরের প্রাথমিক স্তরের বৃত্তি পরীক্ষাটি সরকারি শিক্ষার্থীদের জন্য নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রাইভেট, বেসরকারি অর্থাৎ কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বিধায় একটি মামলা হয়েছিল এবং মামলার আদেশক্রমে…এবং আমরাও ভেবেছি যে তাদের (কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী) বাদ দিয়ে… তারা একই দেশের ছাত্র-ছাত্রী, সাংবিধানিক অধিকার তাদের রয়েছে। অতএব এটা বাদ দেওয়া যায় না। সেই চিন্তা থেকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা কিন্ডারগার্টেনকেও ইনক্লুড করব।

একই শিক্ষা ব্যবস্থা হওয়ায় একই প্রশ্নে এই বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তে আসার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, সেই কারণে ৮০ শতাংশ বৃত্তি আমরা দিয়ে দেব সরকারি ছাত্র-ছাত্রীদের। আর ২০ শতাংশ আমরা দিয়ে দেব বেসরকারি অর্থাৎ কিন্ডারগার্টেনের (শিক্ষার্থীদের)।

কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থদের বেশিরভাগ শহরকেন্দ্রিক। তাই তাদের যোগ্যতা কিছুটা ব্যতিক্রম হলেও শিক্ষামন্ত্রী চান তাদের মধ্যে বিভেদটা আইডেন্টিফাই করা, সেই জন্যই একই প্রশ্নে পরীক্ষা হবে।
dainikshiksha

 

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫ , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট