1. monoarulhasanmanik@gmail.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা
  2. info@www.prathomikshikshabarta.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ শিগগিরই/60,000 primary school teachers to be recruited soon যে ভিটামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘুম পায়/Vitamin deficiency causes excessive sleepiness ব্যাংকগুলোকে ছেঁড়া-ফাটা নোট গ্রহণে কঠোর নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের/Bangladesh Bank issues strict instructions to banks to accept torn notes স্কুলে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগের নির্দেশ/Instructions to hire retired teachers to increase teaching in schools শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা মাউশির/MUEB issues urgent instructions to educational institutions শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা মিলবে কখন, যা জানাল মাউশি/When will teachers get their Baisakhi allowance, says Maushi শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা সরকারি চাকরি: নতুন বেতনকাঠামো যাচাই-বাছাই হচ্ছে/Government jobs: New salary structure being scrutinized শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা/Announcement of online-offline class schedules in educational institutions প্রাথমিকের শিক্ষকদের জন্য নতুন নির্দেশনা/New guidelines for primary teachers

সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! নবম পে স্কেল নিয়ে নতুন আপডেট/Good news for government employees! New update on 9th pay scale

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! নবম পে স্কেল নিয়ে নতুন আপডেট/Good news for government employees! New update on 9th pay scale সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! নবম পে স্কেল নিয়ে নতুন আপডেট/Good news for government employees! New update on 9th pay scale

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বহুল প্রত্যাশিত নবম পে স্কেল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে। সম্প্রতি অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি জানিয়েছেন, নতুন সরকারের পরিকল্পনায় পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি রয়েছে।
গত মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে সরকারের অবস্থান তুলে ধরেন। প্রতিমন্ত্রী জানান, সরকারি কর্মচারীরা নতুন পে স্কেলের সুবিধা পাবেন, তবে পুরো বেতন কাঠামো কার্যকর করতে কিছুটা সময় প্রয়োজন হবে। যদিও বৈঠকে বাস্তবায়নের নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করা হয়নি।

প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপসচিব মো. আব্দুল খালেক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে এম এ হান্নান জানান, প্রতিমন্ত্রী কর্মচারীদের দাবিগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনেছেন এবং তা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছেন। প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলেই ধাপে ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে। তবে সব কিছু তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর করা সম্ভব নয়, এজন্য সময় লাগবে এবং কর্মচারীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির চেয়ারম্যান Tareque Rahman ঘোষণা দেন, নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সময়মতো নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।

এদিকে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যে গত বছরের ২৭ জুলাই ২১ সদস্যের একটি বেতন কমিশন গঠন করা হয়। সাবেক অর্থসচিব ও পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানকে কমিশনের প্রধান করা হয়। কমিশনকে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিল এবং চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তারা সুপারিশমালা সরকারের কাছে জমা দেয়।

অন্যদিকে, নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে সময়সীমা নির্ধারণ করে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

গত ২০ ফেব্রুয়ারি সদস্যসচিব মো. মাহমুদুল হাসান ও মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলীর স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে বেতন বৈষম্য দূর করা এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নতুন পে স্কেলের দাবিতে তারা আন্দোলন চালিয়ে আসছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ২০১৫ সালের অষ্টম পে স্কেলে ১১ থেকে ২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা প্রত্যাশিত সুবিধা পাননি। পরবর্তীতে স্মারকলিপি প্রদান, আলোচনা ও শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি। এক দশকের বেশি সময় ধরে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের ওপর আর্থিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।

সংগঠনের নেতাদের মতে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, বাসাভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যয়ের ঊর্ধ্বগতির কারণে ছয় সদস্যের একটি পরিবারের ব্যয় নির্বাহ এখন কঠিন হয়ে পড়েছে। তাই বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বৈষম্যহীন নবম পে স্কেল দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।

সরকারি আশ্বাসের পরও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—

২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫ মার্চের মধ্যে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রীদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান

একই সময়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করে দাবিপত্র উপস্থাপন

পুরো রমজান মাসজুড়ে বিভাগীয় শহরগুলোতে প্রতিনিধি সমাবেশ, মতবিনিময় সভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা

সংগঠনটি জানিয়েছে, আগামী ১৫ মার্চের মধ্যে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু না হলে ঈদুল ফিতরের পর ২৮ মার্চ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। দৈনিক জনকণ্ঠ

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫ , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট