1. monoarulhasanmanik@gmail.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা
  2. info@www.prathomikshikshabarta.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাথমিকের শিক্ষকরা কি ফ্রি ছুটি পান নাকি টাকা দিয়ে ছুটি কিনে নেন? প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা/Emergency instructions for primary schools/ নতুন জাতীয় পে স্কেলের সম্ভাব্য বেতন গ্রেড প্রকাশ/Possible salary grades of the new national pay scale revealed প্রাথমিক শিক্ষকদের ফেসবুক ব্যবহারে সতর্ক করলো মন্ত্রণালয়/Ministry warns primary teachers against using Facebook ইসলামে মায়ের মর্যাদা/The status of the mother in Islam নতুন পে-স্কেলে বাড়ছে বিশেষ ভাতা/Special allowances are increasing in the new pay scale নবম পে-স্কেলে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন কত ধরা হয়েছে/What is the minimum and maximum salary in the ninth pay scale? স্মার্ট প্রাথমিক শিক্ষা: রূপান্তরের ১৩টি ‘ঐতিহাসিক’ প্রকল্প ঘরের যে ৪ জায়গায় রাউটার রাখলে ইন্টারনেটের গতি কমে যায়/4 places in the house where placing a router slows down internet speed নবম পে স্কেলে শিক্ষকদের মূল বেতনের কত শতাংশ বাড়বে/What percentage of teachers’ basic salary will increase in the 9th pay scale?

প্রাথমিকের শিক্ষকরা কি ফ্রি ছুটি পান নাকি টাকা দিয়ে ছুটি কিনে নেন?

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বছরের বিভিন্ন সময়ে যে দীর্ঘ ছুটিগুলো পান তা আসলে কোনো উপহার বা বাড়তি সুবিধা নয় বরং তারা চাকরি জীবনের শেষ প্রান্তে এসে নিজেদের অবসরের একাংশ টাকা বিসর্জন দিয়েই এই ছুটিগুলোর মূল্য পরিশোধ করেন।

সরকারি নিয়ম অনুসারে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো ভ্যাকেশনাল বা ছুটিপ্রবণ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় শিক্ষকরা বাধ্য হয়ে শিক্ষা ক্যালেন্ডারের নির্ধারিত দিনগুলোতে ছুটিতে থাকেন যার কারণে তারা অন্যান্য সরকারি কর্মচারীদের মতো বছরে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্জিত ছুটি জমা করার সুযোগ পান না।

সাধারণ সরকারি কর্মচারীরা প্রতি ১১ দিন কাজের বিপরীতে ১ দিন করে পূর্ণ বেতনে অর্জিত ছুটি জমাতে পারেন এবং চাকরি শেষে অবসরে যাওয়ার সময় এই জমানো ছুটি নগদায়ন করে এককালীন সর্বোচ্চ ১৮ মাসের মূল বেতনের সমপরিমাণ মোটা অঙ্কের ল্যাম্পগ্রান্টের টাকা তুলে নেন। কিন্তু প্রাথমিক শিক্ষকরা বছরের মাঝে বাধ্য হয়ে ছুটি ভোগ করার কারণে আইনের গ্যাঁড়াকলে পড়ে বছরে মাত্র ১০ দিনের বেশি পূর্ণ বেতনে ছুটি জমাতে পারেন না ফলে দীর্ঘ ৩০-৩৫ বছর চাকরি করার পরও অবসরের সময় তাদের অ্যাকাউন্টে ১৮ মাসের সমপরিমাণ ছুটি জমা থাকে না।এর সরাসরি প্রভাব পড়ে তাদের অবসরের এককালীন ভাতার ওপর যেখানে অন্যান্য দপ্তরের একই গ্রেডের কর্মচারীরা পুরো ১৮ মাসের টাকা পকেটে নিয়ে বাসায় ফেরেন সেখানে শিক্ষকরা ছুটি কম জমার কারণে অনেক কম টাকা পান।

তাই শিক্ষকরা যে ছুটিগুলো কাটান রাষ্ট্র মূলত চাকরি শেষে তাদের পাওনা টাকা কেটে রেখেই সেই ছুটির হিসাব চুকিয়ে নেয় যা একপ্রকার নিজের জমানো টাকা দিয়ে বাধ্য হয়ে ছুটি কিনে নেওয়ার শামিল।

সাধারণ মানুষ বাইরে থেকে শুধু শিক্ষকদের ছুটির দিনগুলোই দেখে কিন্তু এই ছুটির আড়ালে শিক্ষকরা যে প্রতি বছর নিজেদের পেনশনের এককালীন টাকা হারাচ্ছেন সেই নীরব আর্থিক ক্ষতির খবর কেউ রাখে না। একই গ্রেডে চাকরি করেও শুধু এই ছুটির নিয়মের কারণে শিক্ষকরা অবসরের সময় বৈষম্যের শিকার হন।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫ , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট