আর্থিক সংকট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় সরকারি কর্মচারীদের পে-স্কেলের ঘোষণা থেকে সরে আসছে অন্তর্বর্তী সরকার। তবে এজন্য গঠিত পে-কমিশনকে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চলতি জানুয়ারি মাস থেকে নবম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে ‘প্রতীকী অনশন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। আগামী শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে
নবম জাতীয় পে স্কেলের সর্বনিম্ন বেতন নিয়ে তিনটি প্রস্তাব উত্থাপন করেছে পে কমিশন। এই তিন প্রস্তাবের যেকোনো একটি চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া নবম পে স্কেলে বেতনের
নবম পে স্কেল নিয়ে স্থগিত হওয়া পূর্ণ কমিশনের সভার নতুন তারিখ চূড়ান্ত করেছে কমিশন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সচিবালয়ে কমিশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে। দুপুর ১২টায়
নবম জাতীয় পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর আসছে। পে-কমিশনের সদস্যরা গ্রেড সংখ্যা ও বেতন কাঠামো নিয়ে তিন ধরনের বিকল্প নিয়ে ভাবনা করছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত সভায় এই বিষয়গুলো
নতুন বেতন কাঠামো বা নবম পে স্কেল নিয়ে দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা ও সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে বিরাজমান ক্ষোভের মধ্যেই আন্দোলনে নতুন মোড় এসেছে। ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুতে শ্রদ্ধা জানানো
প্রশাসনিক ও আইনি সব বাধা পেরিয়ে সারা দেশের ৬৫ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষকের বেতন গ্রেড ১১তম থেকে এক ধাপ বাড়িয়ে ১০ম গ্রেডে (দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা) উন্নীত করা হয়েছে। নতুন
সরকারি চাকরিজীবীরা নবম পে-স্কেলের চূড়ান্ত গেজেট আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকাশ না হলে ১৭ ডিসেম্বর থেকে কঠোর কর্মসূচি শুরু করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তারা দাবি করেন, নতুন বেতন কাঠামো দ্রুত
আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবির বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘পে স্কেল ঘোষণা করা সহজ কাজ নয়, অনেকগুলো বিষয় জড়িত। কর্মচারীদের আল্টিমেটামের মধ্যে
জমি ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনে পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে সরকার। দেশের সব জেলায় আগামী বছর থেকে ডিজিটাল নামজারি ব্যবস্থা চালু করা হবে বলে জানিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। তাই এ বছরকে ভূমি প্রশাসনে বড়