1. monoarulhasanmanik@gmail.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা
  2. info@www.prathomikshikshabarta.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা :
বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সংক্ষিপ্ত বা কম নম্বরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার দাবি নাকচ শিক্ষামন্ত্রীর/Education Minister rejects demand for shortened or lower-scoring primary scholarship exams এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পরীক্ষার্থীদের বডি সার্চ করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী/Body searches of candidates will be conducted upon entering SSC exam centers: Education Minister পে স্কেল ঘোষণা ও গেজেট প্রকাশে কর্মচারীদের ৫ যুক্তি/5 arguments of employees against pay scale announcement and gazette publication সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! নবম পে স্কেল নিয়ে নতুন আপডেট/Good news for government employees! New update on 9th pay scale ‘বর্তমান পে স্কেলের বেতন ভালো না লাগলে চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন’/”If you don’t like the current pay scale, you can quit your job.” অনুমতি না নিয়ে শিক্ষকরা অন্য পেশায় থাকলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী/Action to be taken if teachers engage in other professions without permission: Education Minister শিক্ষামন্ত্রীকে ৪ বিষয় অবহিত করবে এনটিআরসিএ/NTRCA to inform Education Minister of 4 issues প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা এপ্রিলে: শিক্ষামন্ত্রী/Primary scholarship exam to be held in April: Education Minister পে স্কেল বাস্তবায়নে যে আশ্বাস পেলেন চাকরিজীবীরা/The assurances given to employees regarding the implementation of the pay scale রমজানে শিক্ষা অফিস চলবে যে সূচিতে/The schedule for the education office during Ramadan

সংক্ষিপ্ত বা কম নম্বরে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার দাবি নাকচ শিক্ষামন্ত্রীর/Education Minister rejects demand for shortened or lower-scoring primary scholarship exams

  • প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে
প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা এপ্রিলে: শিক্ষামন্ত্রী/Primary scholarship exam to be held in April: Education Minister

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নিয়ে কিন্ডারগার্টেন ও কয়েকটি সরকারি শিক্ষক সংগঠনের নেতারা যে যুক্তি দিয়েছিলেন তা নাকচ করে দিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, পুরো চারশ নম্বরেরই বৃত্তি পরীক্ষা হবে। কোনো সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বা কম নম্বরের পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ নেই।

বহু বছর ধরে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে একশ করে, বিজ্ঞানে ৫০ এবং বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় মিলে ৫০- মোট একশ, সর্বমোট ৪০০ নম্বরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা হয়ে আসছে।
বৃত্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণা দেওয়ার পরপরই মন্ত্রী সব ধরনের শিক্ষকদের মতামত নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে গত সপ্তাহে মত বিনিময় হয়। শিক্ষক সংগঠনের প্রতিনিধিদের বরাতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা গত সোমবার শিক্ষামন্ত্রীকে জানান, যেহেতু পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ডিসেম্বরে ফাইনাল পরীক্ষা দেওয়ার পরে পুরনো বই ফেলে দিয়েছে, তাই শিক্ষকরা নতুন বই দাবি করেছেন। নতুবা ৪০০ নম্বরের বৃত্তি পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। বছরের তিন মাস পার হওয়ার পরে অর্থাৎ এপ্রিলে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পুরো নম্বর হলে সবাই পরীক্ষা দিতে পারবে না। এ বিষয়ে মন্ত্রীর সাফ জবাব কোনো অটোপাস বা সংক্ষিপ্ত করার সুযোগ নেই। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা বাধ্যতামূলক নয়।

জানা গেছে, আইনি জটিলতায় ‘আটকে যাওয়া’ গত বছরের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে আগামী এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে। পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষায় কিন্ডারগার্টেনগুলোর শিক্ষার্থীরাও অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ পাবেন এবং কিন্ডারগার্টেনসহ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার্থীরা পাবেন ২০ শতাংশ।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহে অর্থাৎ আগামী কোরবানির ঈদের আগেই আমরা প্রশ্নপত্র তৈরি করে এবং তাদের পড়ালেখার সুযোগ দিয়ে গত বছরের বৃত্তি পরীক্ষাটি আমরা এ বছরে নেব।

এক সময় প্রাথমিকের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার রেওয়াজ থাকলেও ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দে তা বন্ধ করে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালু করা হয়। এ পাবলিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দেওয়া হতো।

তবে করোনাভাইরাস মহামারির জেরে ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে এ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে শিক্ষার্থীদের ওপর বাড়তি চাপ কমাতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করা হয়। বন্ধ হয়ে যাওয়ার ১৩ বছর পর ২০২২ খিষ্টাব্দের ডিসেম্বরে ফের ‘পরীক্ষামূলকভাবে’ প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়।

গণঅভ্যুত্থানের পর গত বছর থেকে পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষা ফিরিয়ে আনার ‘নীতিগত সিদ্ধান্ত’ নেয় অন্তর্বর্তী সরকার। ওই বছরের শেষে এই পরীক্ষা নেওয়ার কথা ছিল। এ অবস্থায় প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা কিন্ডারগার্টেনসহ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি ওঠে।

শিক্ষামন্ত্রীর বলেন, গত বছরের প্রাথমিক স্তরের বৃত্তি পরীক্ষাটি সরকারি শিক্ষার্থীদের জন্য নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রাইভেট, বেসরকারি অর্থাৎ কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি বিধায় একটি মামলা হয়েছিল এবং মামলার আদেশক্রমে…এবং আমরাও ভেবেছি যে তাদের (কিন্ডারগার্টেন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী) বাদ দিয়ে… তারা একই দেশের ছাত্র-ছাত্রী, সাংবিধানিক অধিকার তাদের রয়েছে। অতএব এটা বাদ দেওয়া যায় না। সেই চিন্তা থেকে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা কিন্ডারগার্টেনকেও ইনক্লুড করব।

একই শিক্ষা ব্যবস্থা হওয়ায় একই প্রশ্নে এই বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তে আসার বিষয়টি তুলে ধরে তিনি বলেন, সরকারি শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেশি, সেই কারণে ৮০ শতাংশ বৃত্তি আমরা দিয়ে দেব সরকারি ছাত্র-ছাত্রীদের। আর ২০ শতাংশ আমরা দিয়ে দেব বেসরকারি অর্থাৎ কিন্ডারগার্টেনের (শিক্ষার্থীদের)।

কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থদের বেশিরভাগ শহরকেন্দ্রিক। তাই তাদের যোগ্যতা কিছুটা ব্যতিক্রম হলেও শিক্ষামন্ত্রী চান তাদের মধ্যে বিভেদটা আইডেন্টিফাই করা, সেই জন্যই একই প্রশ্নে পরীক্ষা হবে।
dainikshiksha

 

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮২৯
৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট