1. monoarulhasanmanik@gmail.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা
  2. info@www.prathomikshikshabarta.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা :
শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পে-স্কেল: অবশেষে বেতনের গ্রেড চূড়ান্ত করল কমিশন প্রতিবেদন পেলেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতনের সিদ্ধান্ত/New salary decisions for government officials and employees will be made after receiving the report. যে হারে মহার্ঘ ভাতা পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা/The rate at which government employees will receive dearness allowance শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন কাঠামোর সুপারিশ নিয়ে যা জানা গেল/What was learned about the recommendation for an individual salary structure for teachers পে-স্কেল নিয়ে সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত/Government’s new decision on pay scale পে স্কেল নিয়ে সরকারি কর্মচারীদের আন্দোলনের ডাক যে পানীয় পান করলে পুরুষদের টেস্টোস্টেরন লেভেল বাড়ে হুহু করে!Drinking this drink increases testosterone levels in men! চূড়ান্ত হচ্ছে পে স্কেল, যে অনুপাতে বাড়ছে বেতন/The pay scale, the ratio in which salaries are increasing, is being finalized. দেশের সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য জরুরি নির্দেশনা অধিদফতরের/Department of Education issues emergency instructions for all primary schools in the country সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা/Urgent instructions for all primary school teachers/

নিয়মিত মোটরবাইক চালান? কাঁধ, ঘাড়সহ শারীরিক জটিলতা এড়াতে পরামর্শগুলো মেনে চলুননিয়মিত মোটরবাইক চালান? কাঁধ, ঘাড়সহ শারীরিক জটিলতা এড়াতে পরামর্শগুলো মেনে চলুন/Do you ride a motorbike regularly? Follow these tips to avoid physical complications including shoulder and neck injuries.

  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ২৯২ বার পড়া হয়েছে

 

সহজে চলাফেরা, কম খরচে ভ্রমণ আর সময় বাঁচানোর জন্য অনেকেই মোটরসাইকেল ব্যবহার করেন। তাই শহর থেকে গ্রাম—সব জায়গাতেই মোটরসাইকেল জনপ্রিয় এক বাহন। তবে নিয়মিত বাইক চালাতে গিয়ে আমরা বেশির ভাগ সময় দেহভঙ্গির দিকে খেয়াল করি না। সঠিক ভঙ্গি না রেখে দীর্ঘদিন বাইক চালালে শরীরে ধীরে ধীরে নানা সমস্যা তৈরি হতে পারে, যা প্রথমে টের না পেলেও পরবর্তী সময়ে বড় শারীরিক জটিলতায় রূপ নিতে পারে।

vভুল ভঙ্গি থেকে তৈরি হওয়া সমস্যা
পিঠের ব্যথা: সবচেয়ে সাধারণ সমস্যা। দীর্ঘ সময় সামনের দিকে ঝুঁকে হ্যান্ডেল ধরা বা সিটের অবস্থান উঁচু-নিচু হলে মেরুদণ্ডের ওপর চাপ পড়ে।

ঘাড় ও কাঁধে টান ও ব্যথা: হেলমেটের বাড়তি ওজন, সোজা না হয়ে কুঁজো ভঙ্গিতে চালানো বা সিট ও হ্যান্ডেলের অসামঞ্জস্যতা ঘাড় ও কাঁধে টান ধরায়, ব্যথা হয়। এতে হতে পারে সার্ভিকাল স্পনডিলোসিস, রোটেটর কাফ ইনজুরির মতো সমস্যা।

কোমরে ব্যথা: লম্বা সময় এক ভঙ্গিতে বসে থাকায় কোমরের পেশি শক্ত হয়ে যায়, এতে ব্যথা ও অস্বস্তি তৈরি হয়। হতে পারে পিএলআইডি বা প্রলাপসড লাম্বার ইন্টারভার্টিব্রাল ডিস্ক। এই রোগ হলে দুটি কশেরুকার মধ্যে থাকা কোমরের নরম অংশ (ডিস্ক) বের হয়ে বাইরের দিকে চলে আসে।

হাত ও কবজির ব্যথা: অনেকক্ষণ হ্যান্ডেল ধরে রাখলে ও থ্রটল কষে ধরলে কবজি ও আঙুলে ব্যথা দেখা দেয়। এতে হতে পারে টেনিস এলবো ও কারপাল টানেল সিনড্রোমের মতো সমস্যা।

হাঁটু ও নিতম্বে চাপ: পায়ের ভাঁজ ঠিক না থাকলে বা সিট ও ফুটরেস্টের দূরত্ব শরীরের সঙ্গে মানানসই না হলে হাঁটুতে চাপ পড়ে। চাপ পড়ে নিতম্বেও।

সার্বিকভাবে ক্লান্তি ও ঝিমুনি অনুভব করতে পারেন।

প্রতিরোধের উপায়
১. সঠিক দেহভঙ্গি: পিঠ সোজা, কাঁধ রিলাক্স, মাথা সোজা রাখতে হবে।
২. বাইক সেটআপ: সিট এমন উচ্চতায় রাখতে হবে যাতে পা স্বাভাবিকভাবে মাটিতে লাগে। হ্যান্ডেল ও ফুটরেস্ট শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ঠিক করতে হবে।
৩. সময় নিয়ন্ত্রণ: একটানা ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের বেশি চালানো উচিত নয়। মাঝেমধ্যে থেমে স্ট্রেচিং করা প্রয়োজন। এটি করলে শরীরের পেশি ও অস্থিসন্ধিগুলোর জড়তা দূর করে শরীরকে গতিশীল ও সচল করবে।
৪. সুরক্ষা সরঞ্জাম: হালকা তবে মজবুত হেলমেট, গ্লাভস, জুতোর মতো সেফটি গিয়ার বা সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করলে চাপ কমে।

ফিজিয়্যাট্রিক ব্যবস্থাপনা
১. প্রাথমিক পর্যায়ে: বিশ্রাম, গরম বা ঠান্ডা সেঁক, ব্যথা নিয়ন্ত্রণে ওষুধ (ডাক্তারের পরামর্শে)।
২. ফিজিওথেরাপি: এসডব্লিউডি বা শর্টওয়েভ ডায়াথার্মি, ইউএসটি বা আলট্রাসাউন্ড থেরাপি, আইএফটি বা ইন্টারফেনশিয়াল থেরাপি এবং টেনস বা ট্রান্সকিউটেনিয়াস ইলেকট্রিক্যাল নার্ভ স্টিমুলেশন।
৩. ব্যায়াম: ঘাড়, কাঁধ, কোমর ও পায়ের স্ট্রেচিং, কোর মাসল (পেট, পিঠ আর নিতম্বের পেশি) ও পিঠ শক্ত করার ব্যায়াম (প্ল্যাঙ্ক ও ব্রিজ), ভঙ্গি সংশোধনের ট্রেনিং।
৪. দীর্ঘ মেয়াদে লক্ষ্য: ব্যথা কমানো, স্বাভাবিক কাজে ফেরানো, আবার যাতে সমস্যা না হয় তার প্রতিরোধ।

দৈনন্দিন জীবনে পরিবর্তন
১. বাইকে ওঠার আগে ও পরে হালকা স্ট্রেচিং করা।
২. ভারী ব্যাগ পিঠে না নিয়ে বাইকের সামনের অংশে রাখা।
৩. প্রতিদিন কোর ও পিঠের পেশি শক্ত করার ব্যায়াম করা।
৪. ঘুমের সময় সাপোর্টিভ বালিশ ব্যবহার করা।
৫. দীর্ঘ সময় চালানোর পর কাজ শুরু করার আগে ৫ মিনিট বিশ্রাম নেওয়া।
একজন ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে সঠিক দেহভঙ্গির অভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়াম করলে বাইক চালানোর কারণে হওয়া বেশির ভাগ সমস্যা সহজেই প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

ডা. সাকিব-আল-নাহিয়ান: রেজিস্ট্রার, ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ, গ্রিনলাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা

আরও পড়ুন
শক্তি, হজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণে কলা খাওয়ার সঠিক সময়
২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
শক্তি, হজম ও ওজন নিয়ন্ত্রণে কলা খাওয়ার সঠিক সময়
প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন
সুস্থতা থেকে আরও পড়ুন
ভালো থাকুনমোটরসাইকেলসুস্বাস্থ্য

সুস্বাস্থ্য নিয়ে আরও পড়ুন
কান্না নয়, তবু চোখ থেকে অনবরত পানি ঝরে কেন
৬ ঘণ্টা আগে
কান্না নয়, তবু চোখ থেকে অনবরত পানি ঝরে কেন
নখের রং বদল কি কোনো রোগের লক্ষণ
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নখ ভেঙে গেলে হাতের সৌন্দর্য নষ্ট হয়
প্রতিরোধের উপায়
১. সঠিক দেহভঙ্গি: পিঠ সোজা, কাঁধ রিলাক্স, মাথা সোজা রাখতে হবে।
২. বাইক সেটআপ: সিট এমন উচ্চতায় রাখতে হবে যাতে পা স্বাভাবিকভাবে মাটিতে লাগে। হ্যান্ডেল ও ফুটরেস্ট শরীরের উচ্চতা অনুযায়ী ঠিক করতে হবে।
৩. সময় নিয়ন্ত্রণ: একটানা ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের বেশি চালানো উচিত নয়। মাঝেমধ্যে থেমে স্ট্রেচিং করা প্রয়োজন। এটি করলে শরীরের পেশি ও অস্থিসন্ধিগুলোর জড়তা দূর করে শরীরকে গতিশীল ও সচল করবে।
৪. সুরক্ষা সরঞ্জাম: হালকা তবে মজবুত হেলমেট, গ্লাভস, জুতোর মতো সেফটি গিয়ার বা সুরক্ষা সরঞ্জাম ব্যবহার করলে চাপ কমে।

ফিজিয়্যাট্রিক ব্যবস্থাপনা
১. প্রাথমিক পর্যায়ে: বিশ্রাম, গরম বা ঠান্ডা সেঁক, ব্যথা নিয়ন্ত্রণে ওষুধ (ডাক্তারের পরামর্শে)।
২. ফিজিওথেরাপি: এসডব্লিউডি বা শর্টওয়েভ ডায়াথার্মি, ইউএসটি বা আলট্রাসাউন্ড থেরাপি, আইএফটি বা ইন্টারফেনশিয়াল থেরাপি এবং টেনস বা ট্রান্সকিউটেনিয়াস ইলেকট্রিক্যাল নার্ভ স্টিমুলেশন।
৩. ব্যায়াম: ঘাড়, কাঁধ, কোমর ও পায়ের স্ট্রেচিং, কোর মাসল (পেট, পিঠ আর নিতম্বের পেশি) ও পিঠ শক্ত করার ব্যায়াম (প্ল্যাঙ্ক ও ব্রিজ), ভঙ্গি সংশোধনের ট্রেনিং।
৪. দীর্ঘ মেয়াদে লক্ষ্য: ব্যথা কমানো, স্বাভাবিক কাজে ফেরানো, আবার যাতে সমস্যা না হয় তার প্রতিরোধ।

দৈনন্দিন জীবনে পরিবর্তন
১. বাইকে ওঠার আগে ও পরে হালকা স্ট্রেচিং করা।
২. ভারী ব্যাগ পিঠে না নিয়ে বাইকের সামনের অংশে রাখা।
৩. প্রতিদিন কোর ও পিঠের পেশি শক্ত করার ব্যায়াম করা।
৪. ঘুমের সময় সাপোর্টিভ বালিশ ব্যবহার করা।
৫. দীর্ঘ সময় চালানোর পর কাজ শুরু করার আগে ৫ মিনিট বিশ্রাম নেওয়া।
একজন ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মেনে সঠিক দেহভঙ্গির অভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়াম করলে বাইক চালানোর কারণে হওয়া বেশির ভাগ সমস্যা সহজেই প্রতিরোধ ও প্রতিকার করা সম্ভব।

ডা. সাকিব-আল-নাহিয়ান: রেজিস্ট্রার, ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিভাগ, গ্রিনলাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা.vপ্রথম আলো

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট