1. monoarulhasanmanik@gmail.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা
  2. info@www.prathomikshikshabarta.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা :
সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারি কর্মচারীদের জন্য সুখবর! নবম পে স্কেল নিয়ে নতুন আপডেট/Good news for government employees! New update on 9th pay scale ‘বর্তমান পে স্কেলের বেতন ভালো না লাগলে চাকরি ছেড়ে দিতে পারেন’/”If you don’t like the current pay scale, you can quit your job.” অনুমতি না নিয়ে শিক্ষকরা অন্য পেশায় থাকলে ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী/Action to be taken if teachers engage in other professions without permission: Education Minister শিক্ষামন্ত্রীকে ৪ বিষয় অবহিত করবে এনটিআরসিএ/NTRCA to inform Education Minister of 4 issues প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা এপ্রিলে: শিক্ষামন্ত্রী/Primary scholarship exam to be held in April: Education Minister পে স্কেল বাস্তবায়নে যে আশ্বাস পেলেন চাকরিজীবীরা/The assurances given to employees regarding the implementation of the pay scale রমজানে শিক্ষা অফিস চলবে যে সূচিতে/The schedule for the education office during Ramadan দুর্নীতি করি না, করব না, করতে দেব না: শিক্ষামন্ত্রী/I will not commit corruption, I will not do it, I will not allow it: Education Minister ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলকে নিয়মের মধ্যে আনতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : শিক্ষামন্ত্রী/Measures will be taken to bring English medium schools within the rules: Education Minister প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশোধিত ছুটির তালিকা, রোজা-ঈদে বন্ধ ২৬ দিন/Revised holiday list for primary and secondary educational institutions, 26 days closed during Ramadan and Eid

জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে/Accountability must be ensured.

  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৫
  • ৪২৭ বার পড়া হয়েছে

 

বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রকল্পে অপচয়, অনিয়ম আর দুর্নীতির অভিযোগ নতুন নয়। বছরের পর বছর ধরে এই প্রতিষ্ঠানের ক্রয় ও কাজে পুকুর চুরির অভিযোগ রয়েছে। অথচ এত বিপুল খরচের পরও রেলের সেবার মান বাড়েনি। উল্টো রেল চলেছে পেছনের দিকে।
একটি রাষ্ট্রীয় সেবা প্রতিষ্ঠানের যেখানে এত দিনে বিশ্বমানে পৌঁছানোর কথা, সেখানে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচের পরও এর সেবার মান রয়ে গেছে তলানিতে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের উন্নয়ন প্রকল্পগুলোতে হাজার হাজার কোটি টাকার অপচয় এবং সীমাহীন দুর্নীতি এখন আর নতুন কোনো খবর নয়। বাংলাদেশ সরকারি ক্রয় কর্তৃপক্ষের (বিপিপিএ) একটি প্রতিবেদন সেই চিত্রই আবারও স্পষ্ট করে তুলেছে। কালের কণ্ঠে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এতে ৯ হাজার ২১ কোটি টাকার ৩০টি বড় রেলওয়ে প্রকল্পের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় গুরুতর অনিয়ম ধরা পড়েছে।
সবচেয়ে হতাশাজনক দিক হলো, প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময়ে শেষ না হলেও কোনো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। উল্টো বারবার মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে আর সেই সঙ্গে বাড়ছে প্রকল্পের খরচ। উদাহরণ হিসেবে কমলাপুর থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন নির্মাণ প্রকল্পের কথা বলা যায়। ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্পের কাজ তিন বছরে শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু কাজ হয়েছে মাত্র ৫৮ শতাংশ।
এর জন্য কোনো জরিমানা বা ক্ষতিপূরণ আদায় করা হয়নি। একইভাবে ঢাকা-টঙ্গী-জয়দেবপুর রুটের একটি প্রকল্পের ব্যয় ৮৪৯ কোটি থেকে প্রায় তিন হাজার ৩৪৩ কোটি টাকায় উন্নীত হয়েছে। এসব প্রকল্পে এমন অব্যবস্থাপনা প্রমাণ করে যে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতার অভাব চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান যথার্থই বলেছেন, রাজনৈতিক প্রভাবশালী, অসাধু প্রকল্প কর্মকর্তা এবং ঠিকাদারদের যোগসাজশেই এমন অনিয়ম ও দুর্নীতি হচ্ছে। এর ফলে প্রতি কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ খরচ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আমাদের দেশে কয়েক গুণ বেশি, এমনকি ইউরোপের চেয়েও দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে।
আমরা মনে করি, প্রকল্প ব্যবস্থাপনার এই দুরবস্থা কেবল অর্থনৈতিক ক্ষতিই করছে না, দেশের সার্বিক উন্নয়নের পথেও বাধা সৃষ্টি করছে। বিপিপিএর প্রতিবেদনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ করা হয়েছে; যেমন—সময়সীমা কঠোরভাবে মেনে চলা, অযৌক্তিক বিলম্বের জন্য জরিমানা আরোপ এবং ক্রয়প্রক্রিয়ায় ই-জিপি শতভাগ চালু করা। সরকারের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) সচিব মো. কামাল উদ্দিন মনে করেন, যদি সরকার কঠোরভাবে এই সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করে, তবেই এ ধরনের অনিয়ম বন্ধ করা সম্ভব।

প্রকল্পে অনিয়ম, সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির দায় শুধু ঠিকাদারের নয়, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের যোগসাজশও স্পষ্ট। তাই দায়মুক্তির সংস্কৃতি ভাঙতে হবে। অযৌক্তিক বিলম্ব ও ব্যয়বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। প্রয়োজনে দায়ী কর্মকর্তা ও ঠিকাদারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি সংস্থা আইএমইডি ও বিপিপিএকে শুধু সুপারিশে সীমাবদ্ধ না থেকে নিয়ম বাস্তবায়নে কঠোর হতে হবে।
কালের কণ্ঠের সম্পাদকীয়

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫১৬
১৭১৮১৯২০২১২২২৩
২৪২৫২৬২৭২৮২৯৩০
৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট