1. monoarulhasanmanik@gmail.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা
  2. info@www.prathomikshikshabarta.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ শিগগিরই/60,000 primary school teachers to be recruited soon যে ভিটামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘুম পায়/Vitamin deficiency causes excessive sleepiness ব্যাংকগুলোকে ছেঁড়া-ফাটা নোট গ্রহণে কঠোর নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের/Bangladesh Bank issues strict instructions to banks to accept torn notes স্কুলে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগের নির্দেশ/Instructions to hire retired teachers to increase teaching in schools শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা মাউশির/MUEB issues urgent instructions to educational institutions শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা মিলবে কখন, যা জানাল মাউশি/When will teachers get their Baisakhi allowance, says Maushi শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা সরকারি চাকরি: নতুন বেতনকাঠামো যাচাই-বাছাই হচ্ছে/Government jobs: New salary structure being scrutinized শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা/Announcement of online-offline class schedules in educational institutions প্রাথমিকের শিক্ষকদের জন্য নতুন নির্দেশনা/New guidelines for primary teachers

শিক্ষকরা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করলে ১ বছরের জেল/1 year in prison if teachers fail to fulfill their duties in elections

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে
শিক্ষকরা নির্বাচনে দায়িত্ব পালন না করলে ১ বছরের জেল/1 year in prison if teachers fail to fulfill their duties in elections

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ভূমিকা অপরিসীম। সরকারি চাকরিজীবী, শিক্ষক ও আনসার সদস্যদের নির্বাচনি দায়িত্ব দেওয়া হয়ে থাকে। তবে প্রশ্ন উঠেছে, শিক্ষকরা যদি এবারের নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করতে না চান কিংবা ভোটের দিন অবহেলা বা গাফিলতি করেন, সে জন্য কী ব্যবস্থা নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)?

বলা হচ্ছে, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১’ অনুযায়ী দায়িত্ব পালনে সামান্য অবহেলা বা গাফিলতির ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ লক্ষ্যে সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের কাছে একটি পরিপত্র পাঠানো হয়েছে। ওই পরিপত্রের ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগও তাদের আওতাধীন সকল দপ্তর, অধিদপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নির্দেশনা পাঠিয়েছে।
সরকারি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক শিক্ষক জাতীয় নির্বাচনে প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ও পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ কারণে নির্বাচনের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ‘নির্বাচন কর্মকর্তা’ হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং তারা সরাসরি নির্বাচন কমিশনের কাছে দায়বদ্ধ থাকবেন।

কোন কাজ ‘অসদাচরণ’ হিসেবে গণ্য হবে—

১. নির্বাচনি দায়িত্ব গ্রহণে অনীহা বা অস্বীকৃতি;

২. দায়িত্ব পালনে ইচ্ছাকৃত অবহেলা বা শৈথিল্য;

৩. কমিশন বা রিটার্নিং কর্মকর্তার নির্দেশ অমান্য;

৪. নির্বাচনি কাজে ভুল, বিভ্রান্তিকর বা মিথ্যা তথ্য প্রদান;

৫. নির্বাচন-সংক্রান্ত আইন বা বিধি ইচ্ছাকৃতভাবে লঙ্ঘন।

কী ধরনের শাস্তি হতে পারে—

১. সাময়িক বরখাস্ত (সর্বোচ্চ দুই মাস);

২. অভিযোগ গুরুতর হলে চাকরি থেকে অপসারণ বা বরখাস্ত;

৩. পদাবনতি;

৪. বাধ্যতামূলক অবসর;

৫. পদোন্নতি বা বেতন বৃদ্ধি দুই বছর পর্যন্ত স্থগিত।

এ ছাড়া প্রশাসনিক শাস্তির পাশাপাশি ফৌজদারি শাস্তিরও বিধান রয়েছে। আইন অনুযায়ী, দায়িত্ব গ্রহণে অস্বীকৃতি বা বাধা দিলে এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। কমিশনের আদেশ অমান্য করলে ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা দুই হাজার টাকা জরিমানা হতে পারে।

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫ , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট