1. monoarulhasanmanik@gmail.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা
  2. info@www.prathomikshikshabarta.com : দৈনিক প্রাথমিক শিক্ষা বার্তা :
শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
প্রাথমিকে ৬০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ শিগগিরই/60,000 primary school teachers to be recruited soon যে ভিটামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘুম পায়/Vitamin deficiency causes excessive sleepiness ব্যাংকগুলোকে ছেঁড়া-ফাটা নোট গ্রহণে কঠোর নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের/Bangladesh Bank issues strict instructions to banks to accept torn notes স্কুলে পাঠদান বাড়াতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের নিয়োগের নির্দেশ/Instructions to hire retired teachers to increase teaching in schools শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি নির্দেশনা মাউশির/MUEB issues urgent instructions to educational institutions শিক্ষকদের বৈশাখী ভাতা মিলবে কখন, যা জানাল মাউশি/When will teachers get their Baisakhi allowance, says Maushi শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা সরকারি চাকরি: নতুন বেতনকাঠামো যাচাই-বাছাই হচ্ছে/Government jobs: New salary structure being scrutinized শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা/Announcement of online-offline class schedules in educational institutions প্রাথমিকের শিক্ষকদের জন্য নতুন নির্দেশনা/New guidelines for primary teachers

বাজেট প্রত্যাশা:কম টাকায় খাবার ও চিকিৎসা চান শ্রমজীবী হেলাল উদ্দিন/Worker Helal Uddin wants food and medical treatment at low cost

  • প্রকাশিত: রবিবার, ১ জুন, ২০২৫
  • ২১৩ বার পড়া হয়েছে

প্রায় ৩০ বছর আগে দিনাজপুর থেকে ঢাকায় আসি। তখন থেকেই দিনমজুরি করি। গাবতলী বালুর ঘাটে ইট, বালু ও পাথর টানার কাজ। আট ওড়া (টুকরি) বালু বহন করলে কখনো ২০ টাকা, আবার কখনো ৪০ টাকা দেয়। একেকটি ওড়ায় ৪০ থেকে ৪৫ কেজি ধরে। শরীর ভালো থাকলে কোনো দিন এক হাজার টাকাও কামাই (আয়) করা যায়। মাঝেমধ্যে শরীর ভালো না থাকলে ৩০০–৪০০ টাকা আয় হয়। মাসে আয় হয় ১৩ থেকে ১৮ হাজার টাকা।

ঢাকায় যখন প্রথম আসি তখন ১৫০ টাকার ঘর ভাড়ায় থাকতাম। এখন ঘরভাড়া দুই হাজার টাকা। সময়ের সঙ্গে খরচ যেমন বেড়েছে, তেমনি আয়ও বেড়েছে। কিন্তু জীবনের উন্নতি হয়নি। এখনো আগের মতোই বাজারে গেলে ইচ্ছেমতো সব কিনতে পারি না। বাজারে ৫০০ টাকা নিয়ে গেলে তেল, চাল ও ডাল কেনার পর আর কিছু কেনার সুযোগ থাকে না। এখন তো আধা কেজি গরুর মাংস কিনতে গেলেও ৩৫০ টাকা লাগে। একদিকে জিনিসপত্রের দাম অনেক বেড়ে গেছে, অন্যদিকে বয়স বাড়ায় আগের মতো খাটতে পারি না।
কয়েক বছর আগেও ৩০ টাকা কেজিতে চাল কিনেছি। এখন মোটা চাল ৬২ টাকা কেজি। ঢাকায় একা থাকি। তাতেও নিজের থাকাখাওয়াসহ মাসে ৮ হাজার টাকা খরচ হয়। বাড়িতে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকা পাঠানোর চেষ্টা করি। বয়স এখন ৫০–এর কাছাকাছি। আগের মতো শরীরে জোর পাই না। অনেক ওজন বহন করতে হয়। প্রায়ই ঘাড় ও কোমরে ব্যথা হয়। তাই মাসে ২০ দিনের কমবেশি কাজ করতে পারি।

কয়েক মাস আগে পায়ে ব্যথা পেয়েছি। প্রায় তিন মাস বেকার ছিলাম। সরকারি হাসপাতালে গেলেও নিজের টাকায় বেশির ভাগ ওষুধ কিনতে হয়েছে। তাই আমাদের মতো গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য সরকার যদি বাজেটে কোনো সুবিধা রাখে, তাহলে খুব ভালো হয়।

ঢাকায় কোনো স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় টিসিবির পরিবার কার্ড পাইনি। সারা দিন মাল টানি বলে টিসিবির চাল ও অন্যান্য পণ্য কেনার লাইনে দাঁড়ানোর সময় পাই না। তাই আমাদের মতো শ্রমিকদের জন্য আলাদা কার্ডের ব্যবস্থা করলে কম টাকায় খাবার কিনে খেতে পারতাম।

আগেও কোনো সরকারের আমলে বাজেটে কোনো প্রত্যাশা ছিল না। এবারও নেই। শুধু একটাই আশা, আমরা যেন বাজারে গিয়ে কম দামে চাল–ডালসহ খাবার কিনতে পারি। আর হাসপাতালে গিয়ে কম দামে ওষুধ ও চিকিৎসা পাই।

আমি চাই, সরকার যেন আমাদের মতো দিনমজুরদের সুদ ছাড়া ঋণ বা ভাতা দেয়। তাহলে হয়তো গ্রামে একটা গরু কিনতাম, আর একটা মুদিদোকান দিতাম। তাহলে গ্রামে চলে গিয়ে পরিবারের নিয়ে একসঙ্গে থাকতে পারতাম।

হেলাল উদ্দিন, দিনমজুর, গাবতলী বালুর ঘাট, ঢাকা।সূত্রঃপ্রথমআলো

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত -২০২৫ , আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন : ইয়োলো হোস্ট